Get Even More Visitors To Your Blog, Upgrade To A Business Listing >>

পোড়া জায়গার প্রাথমিক চিকিৎসা – Burn Treatment In Bengali

আগেই বলে নিচ্ছি কেননা আপনারা পরে ভুলে যান। বাকি বন্ধুদের সাহায্যের উদ্দেশে লাইক আর শেয়ারটা  মনে করে করে দেবেন। শুরু করছি আজকের বিষয় –

নমস্কার বন্ধুরা আমি শান্তনু আপনাদের সবাইকে আমার এই chalokolkata.com এ স্বাগতম। আশা করি সবাই আপনারা ভালোই আছেন আর  সুস্থ আছেন। আজকে আমি আপনাদের বলবো যে – পোড়া ক্ষতের চিকিৎসা। বন্ধুরা আমাদের জীবনে চলার পথে ও সংসার করার পথে আমাদের নানান ধরণের ক্ষয় ও ক্ষতি হয়ে থাকে, আর তার মধ্যেই এক অন্যতম হল এই হাত পা পুড়ে যাওয়া। সাধারণত রান্না ঘরেই এইসব হয়ে থাকে তাই সব থেকে মেয়েদের বা মায়েদের এই ক্ষয় ক্ষতি হয়ে থাকে আজ আমরা আরও জানবো যে – পোড়ার ঔষধ, পোড়া ঘায়ের চিকিৎসা, পোড়া ঘা শুকানোর ঔষধ, পুড়ে যাওয়ার ক্রিম, পোড়া রোগীর খাবার, গরম জলে পোড়ার চিকিৎসা, আগুনে পোড়ার মলম ইত্যাদি ইত্যাদি। চলুন তাহলে সময় নষ্ট না করে জেনে নেওয়া যাক ——

মধুর ব্যবহার 

বন্ধুরা মধু আমরা সবাই চিনি তাই মধু হলো প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক। তাই পোড়া যায়গায় মধু লাগালে জীবাণু নিধন করে ইনফেকশনের ঝুঁকি কমিয়ে দেয় ও দ্রুত শুকাতে সহায়তা করে। মধু ক্ষত দ্রুত আরোগ্য করবে ও দাগও হবে না ত্বকে। একটি পরিষ্কার পাতলা সুতি কাপড় বা গজে মধু লাগিয়ে নিন। এবার পোড়া যায়গায় মধু লাগানো কাপড়টি বেঁধে রাখুন। দিনে ৩ থেকে ৪ বার কাপড়টা বদলে দিন। এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে পোড়ার ক্ষত দ্রুত ভালো হবে এবং দাগ হবে না।

ঠান্ডা জল 

আপনি যেটা করবেন ন্সটা হল পুড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পোড়া স্থানটি কয়েক মিনিট ধরে ঠান্ডা জল  দিয়ে ধুয়ে নিন। বা খুউব ভালো হয় আপনি যদি পড়া জায়গায় কল চালিয়ে রেখে দেন ও সেই পোড়া জায়গাটায় ২ মিনিট ধরে জল পড়তেই থাকবে। পুড়ে যাওয়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ঠান্ডা জল ব্যবহার করলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। ঠান্ডা জল পোড়া জায়গার জ্বালা পোড়া কমিয়ে দেয় এবং ফোসকা পড়ার ঝুঁকি কমায়। প্রতি দুই তিন ঘন্টা পর পর আক্রান্ত স্থানটি ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নিন। আমরা অনেকের মুখে শুনেছি বা অনেক জায়গায় পড়েছি যে বরফ নাকি খুউব উপকারী। না বন্ধু পোড়া স্থানে বরফ ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ বরফ পোড়া স্থানের রক্ত চলাচল বন্ধ করে দিয়ে পোড়া স্থানের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই একদম বরফ নয়।

চা পাতা

চা পাতায় আছে ট্যানিক এসিড যা ত্বককে শীতল করে। তাই পোড়া স্থানে ভেজা, ঠাণ্ডা টি ব্যাগ ব্যবহার করলে ত্বকের জ্বালা ভাব ও অস্বস্তি অনেকটাই কমে যায়। ভিনেগারের সাথে সম পরিমাণে জল  মিশিয়ে পোড়া ক্ষত স্থানটি ধুয়ে নিন। দ্রুত ব্যথা কমবে জ্বালাও কমে যাবে।

আলু 

বন্ধুরা এটা সম্পূর্ণ আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। আমার একবার ঘি এর বোতল গরম জল দিয়ে ধুতে গিয়ে বোতল বাস্ট করে পুরো গরম জল আমার কপালে। ব্যাস তারপর জায়গাটা পুরোটা কালো হয়ে পুড়ে গেলো। জ্বালায় ছটফট করছিলাম। তখন আমি মুম্বাই এ থাকতাম। তখন আমার কপালের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গেছিলো।  তারপর  আমায় এক ডাক্তার বললো এই আলুর কথা। গোল গোল করে আলু ভাজার মতন আলু পাতলা করে কেটে পোড়া জায়গায় রেখে দিন মিনিট ১৫ । দিনে ৩ বার করুন। আর রাত এ সবার আগে লাগিয়ে শুয়ে পড়ুন  মানে ওই আলু আর কি। বেস্ট উপকার।

অ্যালোভেরা

কোথাও পুড়ে গেলে অ্যালোভেরার তাজা রস বের করে পোড়া জায়গায় লাগিয়ে নিন। অ্যালোভেরার আছে ব্যাথা কমানোর গুণ। পোড়া জায়গায় অ্যালোভেরা লাগিয়ে দিলে কিছুক্ষণের মধ্যেই ত্বকে শীতল অনুভূতি পাওয়া যাবে এবং জ্বালা ভাব কমে যাবে। প্রথমে পোড়া জায়গাটা ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর এক টুকরো অ্যালোভেরার পাতা থেকে তাজা রস বের করে পোড়া স্থানে লাগিয়ে নিন। এভাবে দিনে বেশ কয়েকবার লাগান। উপকার পাবেন।

শেষ কথা

একটা জিনিস আপনারা সবাই মাথায় রাখবেন যে যত আপনাদেড় টোটকা বললাম সব কিন্তু হালকা ফুলকা পুড়ে যাওয়ার জন্য। আবার যদি কেউ গায়ে আগুন দিয়ে তারপর এইসব করলে কিন্তু কিছুই হবে না। বেশি বাড়াবাড়ি হলেই সব কিছুর জন্যই ডাক্তারের কাছে যেতেই হবে বা হাসপাতাল এও দেখতে পারেন। ধন্যবাদ ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।

The post পোড়া জায়গার প্রাথমিক চিকিৎসা – Burn Treatment In Bengali appeared first on Chalo Kolkata.



This post first appeared on Chalo Kolkata, please read the originial post: here

Share the post

পোড়া জায়গার প্রাথমিক চিকিৎসা – Burn Treatment In Bengali

×

Subscribe to Chalo Kolkata

Get updates delivered right to your inbox!

Thank you for your subscription

×