Get Even More Visitors To Your Blog, Upgrade To A Business Listing >>

Bangla Emotional Status – বাংলা শায়েরী

ছাত্রসংবাদঃ জীবন চলার পথে মানুষকে অনেক নেতিবাচক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, কেউ পারেন না। যারা পারেন তারা কাজের সফলতা নিয়ে ঘরে ফিরেন। আর যারা পারেন না তারা জীবনযুদ্ধে পরাভূত হন। মানুষের যেসব নেতিবাচক বিষয় নিয়ন্ত্রণ করা আবশ্যক তার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলো রাগ নিয়ন্ত্রণ ও ক্রোধকে দমন করা। কিন্তু বাস্তব অবস্থা হচ্ছে অনেক মানুষই এই রাগ ও ক্রোধ নামক বিধ্বংসী ব্যাধিকে নিয়ন্ত্রণ কিংবা দমন করতে পারেন না। ‘রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন’- যারা প্রসিদ্ধ এই স্লোগানে বিশ্বাস করেন তারাও রাগ করেন। হেরে যাওয়ার পরিবেশ তৈরি করেন। তারা যেমন রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না, তেমনি পারেন না ক্রোধকে দমন করতে। ছাত্রজীবন কি চাকরিজীবন, অ্যাকাডেমিক ব্যস্ততা কি পারিবারিক, সামাজিক কিংবা সাংগঠনিক ব্যস্ততা- এসবের মাঝে যারা রাগ ও ক্রোধের মতো মারাত্মক ব্যাধিতে আক্রান্ত তারা কোনোভাবেই সফল হন না কিংবা সফলতার কাছে গিয়েও তাদের অর্জন ফসকে যায়। মানবতার মহান শিক্ষক রাসূলে আকরাম সা:ও রাগ বর্জন করার নসিহত করেছেন। হজরত আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবী করিম সা:-এর নিকট এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে অল্প কথায় কিছু নসিহত করুন। রাসূলুল্লাহ সা: বললেন, রাগ বর্জন করো। সাহাবি কয়েকবার বললেন, আরও নসিহত করুন। প্রত্যেকবারই রাসূলুল্লাহ সা: বললেন, রাগ বর্জন করো। (বোখারি)।

তীব্র অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ কে ক্রোধ বলে। এই আবেগের প্রকাশে মুখভঙ্গী বিকৃত হয়ে যায় এবং অপরের কাছে তা ভীতির সঞ্চার করে। ক্রোধ ষড়ঋপুর মধ্যে অন্যতম
ক্রোধের অপর নাম রাগ। রাগ  প্রকারঃ- রাগ এবং অনুরাগ। মানুষ ক্রোধ রিপুর বশবর্তী হয়ে অতিতুচ্ছ বিষয় নিয়ে লঙ্কাকাণ্ড ঘটিয়ে ফেলে, যার ফলশ্র“তিতে নিজের জীবনে সংসারে সমাজে অশান্তি বয়ে আনে। তাই ক্রোধ কে সম্বরণ করে ধৈর্য্য ধারণ করা জ্ঞানীর পরিচয়। ক্রোধ খুবই দুর্জয় রিপু, ক্রোধ রিপুকে বশীভূত করতে না পারলে জীবনের কোন কাজেই সফলতা আসে না, ক্রোধ রিপুকে বশীভূত করতে হলে ধৈর্য্য, সহনশীলতা ও ক্ষমা গুণের অধিকারী হতে হয়। রাগ হচ্ছে ধ্বংসাত্মক বা ক্ষতিকারক দিক আর অনুরাগ হচ্ছে সৃজনশীলতা ও কোন মহৎ উদ্দেশ্য বা সাধনা বাস্তবায়নের সোপান স্বরূপ। কোন মহৎ কাজে বা সাধনে-ভজনে সফল হতে হলে নিশ্চয় তার অনুরাগ থাকতে হবে,অনুরাগ না থাকলে উপাসনা কার্যের বিপথগামী রিপু-ইন্দ্রিয়কে বশীভূত করা যায় না। মানুষ তার জীবনে রাগের বশবর্তী হয়ে যত কাজ করে তার সামান্যতম যদি অনুরাগের সাথে ঈশ্বর উপাসনায় মনোনিবেশ করতে পারতো তাহলে নিশ্চয় সাধনায় সিদ্ধিলাভ করত। অসীম কৃপা লাভে সমর্থ হত।
অতিরিক্ত ক্রোধের ফলে বাড়তে পারে রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন। হার্টঅ্যাটাক বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরনের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। রেগে থাকলে একজন ব্যক্তির শরীরে স্ট্রেস হরমোনের নি:সরণ বেড়ে যায়। রক্তের সুগারের তারতম্য শুরু হয়। যারা প্রায়ই রেগে যান তাদের শুভ বুদ্ধির চর্চাও কমে যায়। অতিরিক্ত ক্রোধের ফলে পাকস্থলীয় কোষ উজ্জিবিত হয়ে পরে এবং এসিড নির্গমনের পরিমাণ বেড়ে যায়। চিকিৎসকগন ক্রোধ নিয়ন্ত্রনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।রাগ এবং ক্রোধ দু’টি পরস্পরের পরিপূরক। বলা যায় মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। রাগ হলো ক্রোধের প্রাথমিক অবস্থা। এটি মানুষের এক সহজাত অনুভূতি। মানুষের জীবনে উত্থান-পতনের সাথে সাথে এক ধরনের মনোস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি হয়। কোনো কোনো চাপ ক্ষণস্থায়ী, কোনটা বা একটু দীর্ঘস্থায়ী হয়। চাপ যখন দীর্ঘস্থায়ী হয়, যখন মানুষের চাওয়া পাওয়া আর তার নিজের মতো করে এগোয় না, তখন তার মধ্যে এক ধরনের নৈরাশ্য সৃষ্টি হয়। সময়ের সাথে সাথে নৈরাশ্য কেটে কিছু কিছু মানসিক ক্ষত সেরে ওঠে বা ব্যক্তি আত্মসংযমবলে ধৈর্যের মূর্তপ্রতীক হয়ে কিছু বিষয় নিজেই সামলে নেয়। তবে যখন মানুষ ব্যর্থ হয় তথা এই নৈরাশ্য কিংবা মনোস্তাত্ত্বিক সমস্যা জীবনের অন্যান্য সাধারণ কর্মকাণ্ডের সাথে খাপ খাওয়াতে না পারে বা বিভিন্ন ধরনের বাধার সম্মুখীন হয় তখন তার মাঝে রাগ ও ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। রাগ ও ক্রোধের বহিঃপ্রকাশের আরো কিছু কারণ আছে। মানুষ যখন হতাশা, অসন্তুষ্টি, অপছন্দ বা কোনোরূপ সমালোচনার সম্মুখীন হয় বা কোনো ভীতিকর অবস্থায় পড়ে তখনও রাগ-ক্রোধের সৃষ্টি হয়। এ ছাড়াও মানুষ যখন কোনো কারণে দুঃখ পায় কিংবা একাকিত্বে ভোগে তখন একেকজন একেকভাবে তার রাগকে প্রকাশ করে। রাগ মানুষের শরীরে এক ধরনের এডরিনালাইন হরমোন নিঃসরণ করে, যার ফলে পেশিসমূহে উত্তেজনা, হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি ও ব্লাডপ্রেশার বেড়ে যায়। অর্থনৈতিক সমস্যা-সঙ্কট ও ঝগড়া-বিবাদ, মাদকাসক্তি, যুদ্ধ-বিগ্রহ, অন্যায়-অবিচার-জুলুম, প্রিয়জন দ্বারা কটাক্ষের শিকার, প্রতিহিংসা, আত্মসম্মানে আঘাত ইত্যাদি কারণেও ব্যক্তির মানসিক চাপ এবং ক্ষেত্রবিশেষে মনোস্তাত্ত্বিক উত্তেজনা বাড়ে, যার ফলে রাগ বা ক্রোধের সৃষ্টি হয়।

1. বন্ধু ও বন্ধুত্ব 

কারো সাথে বন্ধুত্ব করা সহজ, কিন্তু বন্ধুত্ব রক্ষা করা জলের ওপর জল দিয়ে লেখার চেয়েও কঠিন।

2. মেজাজি কষ্ট 

কিছু মানুষের কষ্ট প্রকাশ পায় মেজাজে।

3. বিশ্বাসের প্রতিদান 

জীবনে তুমি তাকেই বিশ্বাস করো, যে কোনোদিন তোমার কাছে প্রতিদান চায় না।

4. একাকী জীবন 

জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে নীরব হয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না।

5. ভালোবাসার দড়ি 

যাকে  যত বেশি ভালোবাসবেন, নিজের অজান্তে তাকে হারানোর ভয় তত বেশি আটকে ধরবে।

6. ভালোবাসার ফাঁকি 

”পথের শেষে এসে দেখি অনেক হিসেবে বাকি সারা জীবন যা করেছি তার পুরোটাই ফাঁকি”।

7. প্রেমের ব্যাথা 

ভালোবাসি তাই তো সহ্য করতে না পেরে মেসেজ ব্লক করি….তারপর কান্না করি।

8. ভালোবাসার ছদ্দ নাম বেদনা 

ভালোবাসার জগতে যদি প্রিয় কিছু থেকে থাকে তার নাম বেদনা।

9.হৃদয়ের অব্যক্ত কথা

আমাকে হাজার সত্য কোথায় আঘাত করো, মেনে নেবো। কিন্তু মিথ্যে বোলো না।

10. আমার প্রথম ভালোবাসা 

শেষ দিনের কথা এখনো মনে পরে আমার।

শেষ কথা  

খারাপ ভালো, সুখ দুঃখ, এই নিয়ে আমাদের জীবন। তার মধ্যে আমাদের জীবনে যখন দুঃখ আসে তখন খুব কষ্ট হয়, মেনে নিতেই পারি না সেই দুঃখ কে। দুঃখ অনেক রকমের হতে পারে। তবে প্রেমের দুঃখটা বা ভালোবাসার দুঃখটা কাউকেই বোঝানো বা ব্যক্ত করা খুব কঠিন। আর সেই অর্থে দুঃখ জিনিসটাই প্রকাশ করা বেশ অসুবিধে জনক, সেই অপ্রকাশিত জমে থাকা পাহাড়ের কিছু কথা এখানে বলা হল। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। পোস্টটি শেয়ার করবেন যদি ভালো লাগে। ধন্যবাদ।

লেখক – শান্তনু পাল 

The post Bangla Emotional Status – বাংলা শায়েরী appeared first on Chalo Kolkata.



This post first appeared on Chalo Kolkata, please read the originial post: here

Share the post

Bangla Emotional Status – বাংলা শায়েরী

×

Subscribe to Chalo Kolkata

Get updates delivered right to your inbox!

Thank you for your subscription

×